গোবিন্দগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকসহ দুইজনের লাশ উদ্ধার

গোবিন্দগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকসহ দুইজনের লাশ উদ্ধার

SHARE
গাইবান্ধা প্রতিনিধি:
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ পৌর এলাকার পৃথক স্থান থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকসহ দুইজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরমধ্যে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের লাশ হাসপাতাল থেকে ও মনোয়ার হোসেন পলাশ (৪৮) নামে এক ব্যক্তির লাশ নিজ বাসা থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ।
গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম মেহেদী হাসান দুইজনের লাশ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, বুধবার রাত পৌনে ২টার দিকে ঘোষপাড়ার হুমায়ন কবীর সাজুর ছেলে মনোয়ার হোসেন পলাশ নিজ শয়ন ঘরে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে। খবর পেয়ে সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। সম্প্রতি স্টোকে আক্রান্তের পর শারীরিক ও মানুসিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে পলাশ। অসুস্থতার কারণে সবার অজান্তে রাত ২টার দিকে ঘরের মধ্যে আত্মহত্যা করে সে। পরে ঝুলান্ত অবস্থায় লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় পরিবারের লোকজন।
অপরদিকে, গোবিন্দগঞ্জ  উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ২৮-৩০ বছরের অজ্ঞাত যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়। ঔই যুবকের পড়নে জিন্সপ্যান্ট, গায়ে টিশার্ট ও গলায় তামার চেনমালা ছিল। তার শরীরের বিভিন্নস্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। সকালে জনৈক ভ্যানচালক অজ্ঞাত যুবককে হাসপাতালে নিয়ে এসে সড়ক দূর্ঘটনায় আহত হয়েছে বলে জানায়। এরপর তাকে হাসপাতালে রেখে পালিয়ে যায় ভ্যানচালক।
পৃথকভাবে দুইজনের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় গোবিন্দগঞ্জ থানায় পৃথক দুটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় সনাক্তে চেস্টা করা হচ্ছে। এছাড়া কিভাবে তার মৃত্যু হয়েছে তা সনাক্তে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তাকে হত্যায় কেউ জড়িত আছে কিনা তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানান ওসি মেহেদী হাসান।
নিহত পলাশের ছোট ভাই আনোয়ারুল কবীর মাসুম জানান, পলাশ ঢাকায় একটি ঔষধ কোম্পানিতে চাকুরি করতো। দুই ছেলে সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে পলাশ ঢাকায় থাকতো। স্টোক করার পর থেকে পলাশ মানুষিক ও শারীরিক সমস্যায় ভুগছিল। অসুস্থতার কারণে ঢাকা থেকে গোবিন্দগঞ্জের বাসায় থাকতো পলাশ। পলাশ রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে শুয়ে পড়ে। এরপর গলায় দড়ি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে সে। মানুষিক সমস্যার কারণেই পলাশ আত্মহত্যা করেছে।
print

LEAVE A REPLY