তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর, ভিডিওসহ

তিস্তার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর, ভিডিওসহ

0
SHARE

রংপুর টাইমস:

ভারী বৃষ্টিপাত ও উজানের ঢলে আবারও তিস্তার নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাট জেলার ৫টি উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকা নতুন করে দেখা দিয়েছে বন্যা।

বৃহস্পতিবার রাতে তিস্তার পানি প্রবাহ দোয়ানি পয়েন্টে বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তিস্তা ব্যারাজের ডালিয়া পয়েন্টে ৫২.৮৫ সেন্টিমিটার।66337261_2472086059521929_2865138323423232_n

বৃহস্পতিবার রাতে এদিকে বন্যা পরিস্থিতি দেখতে  হাতীবান্ধার বিভিন্ন এলাকা সড়ে জমিনে ঘুরে দেখেন লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর । এ সময় তিনি পানি বন্দি লোকজনের সাথে তাদের সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। রাস্তা মেরামতের জন্য ৫ হাজার খালি বস্তা বরাদ্দ দেন । এবং জেলায় ৬৮ টন চাল ত্রাণ হিসেবে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্থানীয়রা জানান,উজানের পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে গত ৫ দিনের ভারি বৃষ্টি। এতে লালমনিরহাটের পাঁচটি উপজেলার তিস্তা ও ধরলা অববাহিকার চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এর সঙ্গে বুধবার (১০ জুলাই) দিনগত মধ্যরাত থেকে তিস্তার পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ভারি বৃষ্টিতে কিছু পরিবার মঙ্গলবার (৯ জুলাই) দুপুর থেকে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। নৌকা বা ভেলা ছাড়া চরাঞ্চলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ধেয়ে আসছে পানির স্রোত। এতে বড় সমস্যায় পড়েছে শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা। চার দিকে অথৈ পানির কারণে গবাদি পশুপাখি নিয়ে অনেকটা বিপদে পড়েছেন চরাঞ্চলের খামারি ও চাষিরা।

উজানের পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারি বৃষ্টিতে সৃষ্ট এ বন্যায় জেলার পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম, হাতীবান্ধার সানিয়াজান, গড্ডিমারী, সিন্দুর্না, পাটিকাপাড়া, ডাউয়াবাড়ী, সিংগিমারী, কালীগঞ্জ উপজেলার ভোটমারী, কাকিনা, আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচা, সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ, রাজপুর, গোকুন্ডা, কুলাঘাট ও মোগলহাট ইউনিয়নের তিস্তা ও ধরলার নদীর চরাঞ্চল প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এসব ইউনিয়নের প্রায় ১২ হাজার পরিবার পানিবন্দী হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছেন।

print