দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম লালমনিরহাট বিমানবন্দরে হতে পারে জনপ্রিয় ইত্যাদি অনুষ্ঠান

দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম লালমনিরহাট বিমানবন্দরে হতে পারে জনপ্রিয় ইত্যাদি অনুষ্ঠান

2699
0
SHARE

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে পরিত্যক্ত দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম লালমনিরহাট বিমানবন্দরে বিমান কারখানা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার ঘোষণাকে বাস্তবে রূপ দিতে দুইদিন ধরে বিমান বাহিনীর প্রকৌশলীরা বন্দরের বিভিন্ন বিষয় পর্যবেক্ষণ করে দেখেন এবং সম্ভাব্যতা যাচাই করেন। তাই এই  বিমানবন্দরে হতে পারে হানিফ সংকেত এর জনপ্রিয় ইত্যাদি অনুষ্ঠান ।

লালমনিরহাট জেলা তরুণ সাংবাদকর্মী ফেসবুকে ইত্যাদির পরিচালক হানিফ সংকতেকে আমন্ত্রণ জানিয়ে ফেসবুকে পোষ্টদেন।

পোষ্ট দেওয়ার পর পর লালমনিরহাট জেলার একাধিক মানুষ কমেন্ট করে ইত্যাদির ‘পরিচালক’ হানিফ সংকেতকে এ জেলায় তাহাকে দেখতে চান।  তরুণ সংবাদকর্মী এসএনএন ২৪.কম এর লালমনিরহাট প্রতিনিধি আজিজুল ইসলাম বারী ও ঢাকা টাইমস্ এর লালমনিরহাট প্রতিনিধি রাহেবুল ইসলাম টিটুল।  ফেসবুকে আমন্ত্রিত জানান। তরুণ সাংবাদকর্মীর ফেসবুকে লিখেন- সম্মানিত পরিচালক “ইত্যাদি” লালমনিরহাট বাসী আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

উত্তরের জনপদ রংপুরের একটি সীমান্তবর্তী জেলা লালালমনিরহাট। জেলাটি ভারত বেষ্টিত এবং তিস্তা বিধৌত। এ জেলায় রয়েছে ৫৯টি ছিটমহল।

ইতিহাস ঐতিহ্যে পিছিয়ে নেই জেলাটি। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের বিমান বন্দর থেকে শুরু করে এখানে রয়েছে অসংখ্য দর্শনীয় স্থান। যেগুলো প্রচার ও প্রসারের অভাবে লুকিয়ে রয়েছে।

এই জেলার দর্শনীয় স্থানগুলি ইত্যাদির একটি পর্ব নির্মাণ করে সেটি বিটিভির মাধ্যমে প্রকাশিত হলে জেলার সর্বস্তরের মানুষজনের জীবন যাত্রার মান আরও বৃদ্ধি হতে পারে। ইত্যাদির পরিচালক হানিফ সংকেত ও সংশ্লিষ্ট সকলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে জেলাবাসী।

সীমান্তবর্তী লালমনিরহাট জেলার ঐতিহাসিক ও দর্শনীয় স্থানগুলোর নাম:-দঃ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম লালমনিরহাট বিমানঘাঁটি, আঙ্গরপোতা দহগ্রাম, তিনবিঘা করিডোর, বুড়িমারী স্থলবন্দর ও জিরোপয়েন্ট, ব্রিটিশ আমলের তিস্তা রেল সেতু,মহিপুর তিস্তা শেখ হাসিনা সেতু, তিস্তা ব্যারাজ প্রকল্প, রেলওয়ে জংশন, সিন্দুরমতি দিঘি, হাতীবান্ধা শালবন, তুষভান্ডার জমিদার বাড়ী, কাকিনা জমিদার বাড়ী, নিদাড়িয়া মসজিদ, তিস্তার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল, জেলা জাদুঘর, শুকানদিঘি ও একই আঙ্গিনায় মসজিদ -মন্দির তথা (স্বর্গ -নরক) কবি শেখ ফজলল করিম বাড়ী ও পাঠাগার, বোতলবাড়ীসহ আরও অসংখ্য দর্শনীয় স্থান।

দর্শনীয় স্থানগুলো দেশ ও দেশের মানুষকে জানাতে ইত্যাদি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

জানাগেছে, লালমনিরহাট ও রংপুরের অবস্থিত কাকিনা ও মহিপুরের মাঝামাঝি নির্মিত গঙ্গাচড়া শেখ হাসিনা সেতুটি নেপাল, ভুটান ও ভারতের সঙ্গে আন্তঃযোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সঙ্গে চুক্তির কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিস্তার এক পাশে রংপুর, আরেক পাশে লালমনিরহাট। এ জন্য লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দরসহ চারটি উপজেলার লোকজনকে রংপুরসহ সারাদেশে যাতায়াত করতে প্রায় ৫০ কিলোমিটার ঘুরতে হতো।

এ সেতু নির্মাণের ফলে তাদের এই ৫০ কিলোমিটার পথের যাত্রা, সময় ও অর্থ সাশ্রয় হবে এবং একসময়ের ‘মঙ্গাপ্রবণ’ এ এলাকার আমূল পরিবর্তন ঘটবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

এ বিষয় কালীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান মাহবুবুজ্জামান আহমেদ বলেন, লালমনিরহাট জেলার দর্শনীয় স্থানগুলি ইত্যাদির একটি পর্ব নির্মাণ করে সেটি বিটিভির মাধ্যমে প্রকাশিত হলে জেলার সর্বস্তরের মানুষের জীবন যাত্রার মান আরও বৃদ্ধি হতে পারে।

print