শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২   আশ্বিন ১৪ ১৪২৯   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

বিপৎসীমার ওপরে ধরলা-দুধকুমারের পানি

প্রকাশিত : ১২:০৫ এএম, ৩০ জুন ২০২২ বৃহস্পতিবার

বন্যার ধকল সামলে উঠতে না উঠতেই উত্তরের জেলা কুড়িগ্রামের সবকটি নদ-নদীর পানি ফের বাড়তে শুরু করেছে। ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে সদর উপজেলার ধরলা সেতু পয়েন্টে বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার ও ফুলবাড়ী উপজেলার শিমুলবাড়ী পয়েন্টে ২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এছাড়া পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানি বিপৎসীমার আট সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বাড়তে শুরু করেছে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তাসহ সবকটি নদ-নদীর পানি। ফলে এসব নদ-নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে আবারও বন্যার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্ট এলাকার বাসিন্দারা।


সদরের ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের জগমনের চরের জয়নাল বলেন, ফের ধরলার পানি বাড়ায় নতুন করে নিচু এলাকাগুলো প্লাবিত হচ্ছে। এতে করে আবারও বন্যার আতঙ্কে রয়েছি।

 

যাত্রাপুর ইউনিয়নের খেয়ারচরের ছকমল মোল্লা বলেন, আবারও নদীর পানি বেড়ে চরের দিকে আসছে। এতে করে পরিবার নিয়ে বন্যা আতঙ্কে রয়েছি।

বুধবার (২৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টার প্রতিবেদনে পাউবো কুড়িগ্রাম অফিস সূত্র জানায়, ধরলা নদীর পানি সেতু পয়েন্টে তিন সেন্টিমিটার, শিমুলবাড়ী পয়েন্টে ২৮ সেন্টিমিটার ও দুধকুমার নদের পানি পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপৎসীমার আট সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বিপৎসীমার নীচে রয়ে ব্রহ্মপুত্র ও তিস্তার পানি।

 

পাউবো কুড়িগ্রামের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ধরলার পানি বৃদ্ধি পেয়ে সদরের সেতু পয়েন্ট ও শিমুলবাড়ী পয়েন্টে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে এসব নদ-নদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়া অন্যান্য নদ-নদীর পানি বৃদ্ধিও অব্যাহত রয়েছে।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মো. রেজাউল করিম বলেন, বন্যাকবলিত মানুষের জন্য যথেষ্ট ত্রাণের ব্যবস্থা রয়েছে। বানভাসি মানুষের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি রয়েছে।