ব্রেকিং:
বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক তেলের সংকট নেই, বলছেন পাম্প মালিকরা

সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৯   ১০ মুহররম ১৪৪৪

সর্বশেষ:
বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ট্রেনের উপর প্রভাব,যাত্রীদের উপচেপড়া ভীর রংপুরে বাস সংকটে যাত্রী বেড়েছে ট্রেনে অসহনীয় কাঁচা মরিচ, খুচরায় কেজি ২৪০ তুরস্কে মূল্যস্ফীতি ২৪ বছরে সর্বোচ্চ, লিরার পতন অব্যাহত
৫৭৪

রংপুরে তৃতীয় দিনেও বাস চলাচল বন্ধ

প্রকাশিত: ৭ এপ্রিল ২০২২  

রংপুরে বাস ধর্মঘট তৃতীয় দিনেও চলছে। এ কারণে রংপুর থেকে ঢাকাগামী দূরপাল্লার বাসযাত্রীদের দুর্ভোগ বেড়েছে। গত দুই দিনে শ্রমিকদের দাবি-দাওয়া নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সকালে রংপুর নগরীর কামারপাড়া ঢাকা কোচ স্ট্যান্ডে গিয়ে এই চিত্র দেখা যায়। এর আগে বেতন-ভাতা বৃদ্ধি ও সড়কে পুলিশি হয়রানি বন্ধসহ পাঁচ দফা দাবিতে ধর্মঘট শুরু করে শ্রমিকরা।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) ভোর ৬টা থেকে ধর্মঘট শুরুর ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত পরিবহন মালিক ও শ্রমিক পক্ষের মধ্যে দাবি-দাওয়া নিয়ে কোনো সমঝোতা হয়নি। বরং এই ধর্মঘট ডাকা নিয়ে রয়েছে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ। কোনো পক্ষই ধর্মঘটের দায় স্বীকার করেছেন না।

এদিকে বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত কামারপাড়া ঢাকা কোচ স্ট্যান্ড থেকে দূরপাল্লার কোনো বাস ছেড়ে যেতে দেখা যায়নি। ধর্মঘট শুরুর দিনে সৌখিন, এনা, নাবিল, আগমনী ও শাহ্ ফতেহ আলী পরিবহনের কয়েকটি বাস চলাচল করলেও আজ তা বন্ধ রয়েছে।

এ বিষয়ে শ্রমিকরা বলেন, আমরা দীর্ঘ দিন ধরে বেতন বাড়ানোসহ কিছু দাবি জানিয়ে আসছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাদের দাবি মেনে নেওয়া হয়নি।

শ্রমিকদের অভিযোগ, ২ থেকে ৩টি পরিবহনের চালকদের বেতন ১ হাজার ৯৫০ টাকা, সুপারভাইজারের বেতন ৯০০ টাকা আর হেলপারের বেতন ৮০০ টাকা দেওয়া হয়। সেখানে অন্যসব পরিবহনের স্টাফদের প্রায় এর অর্ধেক বেতন-ভাতাদি প্রদান করা হয়। এই বৈষম্য দূর করে বেতন-ভাতা বাড়ানোর পাশাপাশি সড়কে পুলিশি হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধ, বিভিন্ন সময় মামলায় আটক শ্রমিকদের মুক্তি দেওয়াসহ পাঁচ দফা দাবি তুলে তারা পরিবহন মালিকদের চাপ দিয়েছিলেন। কিন্তু তাদের সেই দাবি পূরণ হয়নি। দাবি-দাওয়া বাস্তবায়নে পরিবহন মালিকসহ প্রশাসনের সহযোগিতা দাবি করেন তারা।

রংপুর জেলা মোটর মালিক সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফতাবুজ্জামান লিপ্টন বলেন, শ্রমিকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোসহ বেশ কিছু প্রস্তাব দিয়েছিলেন মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ।

তিনি আরও বলেন, মূলত তার নির্দেশনায় শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ রেখেছে। এ নিয়ে ঢাকায় কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখান থেকেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের রংপুর বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক এম এ মজিদ বলেন, ঢাকাগামী বাস চলাচল বন্ধ রাখার সঠিক কারণ আমার জানা নেই। কাদের মদদে এই ধর্মঘট চলছে এটা প্রকাশ্যে আনা উচিত।

তিনি আরও বলেন, মালিক পক্ষের লোকেরা পরিবহন বন্ধ রেখে যাত্রীদের ভোগান্তি বাড়িয়েছে, তাদের খুঁজে বের করুন। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে আমরা একমত। কিন্তু এই ধর্মঘট শ্রমিক ইউনিয়ন থেকে ডাকা হয়নি।

এই বিভাগের আরো খবর