শনিবার   ০২ জুলাই ২০২২   আষাঢ় ১৮ ১৪২৯   ০২ জ্বিলহজ্জ ১৪৪৩

সর্বশেষ:
বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ উত্তাল আটলান্টিকে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখোমুখি টাইগাররা উঁকি দিয়েছে চাঁদ, ঈদুল আজহা ১০ জুলাই তিস্তা ও ধরলার পানি কমলেও বেড়েছে দুর্ভোগ তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানি বৃদ্ধি,৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি
২১৮

হাতীবান্ধায় দিনে দুপুরে অন্যের জমির পাকা ধান কেটে নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২২  

 

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় অন্যের জমি থেকে জোড় পূর্বক পাকা ধান কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রভাবশালী রমজান আলী গংদের বিরুদ্ধে।

 

 গত বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে রমজান আলীকে প্রধান আসামি করে আরও দশ জনের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। ধান কেটে নেয়ার অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকার রমজান আলী(৬০), আতিয়ার রহমান(৩৫), মতিয়ার রহমান(৩০), হাবিয়ার রহমান(২৭)সহ আরও অনেকে।

জানা গেছে, উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই রেজাউল করিমের নামীয় কবলা খরিদা ও আবাদি জমি রহিয়াছে। সেই জমিতে মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমান মৌসুমে ধানের আবাদ করেন। যা কাটার সময়ও হয়ে এসেছে। এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্তরা ওই জমি নিজেদের দাবী করে জোড় পূর্বক জমি থেকে ধান কেটে নেয়। এতে বাধা দিতে গেলে তারা ধান কাটা কাছি নিয়ে তেরে আসে মোস্তাফিজুর রহমানকে মারার জন্য৷ পরে সেই ভয়ে তিনি সেখান থেকে সরে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ওই জমি আমার ছোট ভাইয়ের। আমি সেই জমিতে ধান আবাদ করেছি। তারা ওই জমি নিজেদের দাবী করে জোড় পূর্বক পাকা ধান কেটে নিয়ে যায়। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে মারতে আসে। তাই আমি থানায় অভিযোগ দেই৷ এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে পুলিশের কাছে আশা করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রমজান আলীর ছেলে মতিয়ার রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ওই জমি আমরা মোস্তাফিজুর রহমানের চাচার কাছে কিনেছি। তখন থেকে আমরাই আবাদ করি। কিন্তু এবার ধানের চারা রোপনের সময় মোস্তাফিজুররা আগেই ধানের চারা রোপন করেন। পরে সেটা আমরা তুলে ফেলে দিয়ে নতুন করে আমরা ধানের চারা রোপন করি। আর সেই পাকা ধান আমরা কাটি। আর ওরা যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর