ব্রেকিং:
প্রকাশ্যে শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর বুড়িমারী স্থলবন্দর ৯ দিন বন্ধ থাকবে

শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২   আশ্বিন ১৫ ১৪২৯   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত প্রকাশ্যে শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা, চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১৬ কোটি টাকা দুর্গাপূজায় ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রংপুরের মানুষ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে দেখে আমি খুবই আনন্দিত
১১৫

নীলফামারীতে তিস্তায় পানি বৃদ্ধি, চরাঞ্চলে চাষ আবাদের ক্ষতি

(জামান মৃধা নীলফামারী প্রতিনিধি):

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট ২০২২  

ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপদ সীমার ১৪সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে তিস্তা নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলগুলো ডুবে গেছে। ডুবে গেছে উঠতি ফসলি জমি। ফলে উঠতি ধান খেতের চারা গুলো পানিতে ডুবে পচে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এতে জেলায় রোপা-আমনে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ব্যাহত হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

 

এছাড়া গবাদি পশু-পাখির খাবারও সংকট দেখা দিয়েছে বন্যা কবলিত এলাকা গুলোতে। সম্প্রতিক সময়ে কয়েক দফা বন্যার ধকল কাটিয়ে উঠতে না উঠতেই আবারও বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়েছেন তারা। তিস্তার পানি দ্রুত হ্রাস না পেলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে তারা জানিয়েছেন। গত দুই  মাস আগের বন্যায় ক্ষয়ক্ষতির ধকল এখনও কাটিয়ে ওঠতে পারিনি তিস্তা পাড়ের মানুষ।

 

এছাড়াও  উপজেলার টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়নের চরখড়িবাড়ি গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধের প্রায় দুইশত  মিটার বিধ্বস্ত হয়ে বসত ভিটায় পানি প্রবেশ করেছে। বসত ভিটায় পানি উঠায় সাত শতাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 

 

টেপাখড়িবাড়ি ইউপি চেয়ারম্যান ময়নুল হক বলেন, গত কয়েকদিন থেকেই তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তিস্তার ঢলে চরখড়িবাড়ি গ্রামে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বাঁধটির প্রায় দুই মিটার বিধ্বস্ত হয়েছে। আকস্মিক ঢলে ইউনিয়নে প্রায় সাতশত পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। সদ্য রোপণকৃত আমনখেত বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

 

পূর্ব ছাতনাই ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খাঁন বলেন, তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে।  ইউনিয়নের পূর্বছাতনাই ও ঝাড়সিংহেরশ্বর চরের প্রায় পাঁচশত পরিবার বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছেন। বিস্তৃর্ণ আমন ক্ষেত বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে।

 

 খগা খড়িবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম (লিথন) বলেন, কিসামত ছাতনাই মৌজার সম্পূর্ণ চড় এলাকা ও নদীর তীরবর্তী দোহলপাড়া এলাকায় বসবাসকারী ছয় শতাধিক পরিবার ও অত্র এলাকার  ফসলী জমিতে বন্যার পানি প্রবেশ করেছে। 

 

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র সূত্র জানায়, মঙ্গলবার বেলা ১২টায় ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে (৫২ দশমিক ৭৭ সেন্টিমিটার) দিয়ে প্রবাহিত হয়। বেলা ৩টায় পানির  প্রবাহ একটু কমে বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। এ পয়েন্টে স্বাভাবিক পানির প্রবাহ ৫২ দশমিক ৬০ সেন্টিমিটার। 

 

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আসফাউদদৌলা বলেন, তিস্তা নদীর পানি বিকাল ৩টায় টায় বিপৎসীমার ১৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ব্যারাজের সব কটি (৪৪) জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। রাতে পানির প্রবাহ আরও কমবে বলে জানান তিনি।

এই বিভাগের আরো খবর