বুধবার   ১৮ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯   ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
জিআই সনদ পেলো বাগদা চিংড়ি পঞ্চগড়ে ট্রেনের টয়লেটে মিললো বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ রংপুরে ভারি, অন্যান্য স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল উন্নয়ন প্রকল্পের সমালোচকদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী
১৭৫

হাতীবান্ধায় দিনে দুপুরে অন্যের জমির পাকা ধান কেটে নেয়ার অভিযোগ

প্রকাশিত: ১৩ মে ২০২২  

 

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় অন্যের জমি থেকে জোড় পূর্বক পাকা ধান কেটে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে প্রভাবশালী রমজান আলী গংদের বিরুদ্ধে।

 

 গত বৃহস্পতিবার (১২ মে) দুপুরে ভুক্তভোগী মোস্তাফিজুর রহমান বাদী হয়ে রমজান আলীকে প্রধান আসামি করে আরও দশ জনের নামে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। ধান কেটে নেয়ার অভিযোগে অভিযুক্তরা হলেন, উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকার রমজান আলী(৬০), আতিয়ার রহমান(৩৫), মতিয়ার রহমান(৩০), হাবিয়ার রহমান(২৭)সহ আরও অনেকে।

জানা গেছে, উপজেলার টংভাঙ্গা এলাকায় মোস্তাফিজুর রহমানের ছোট ভাই রেজাউল করিমের নামীয় কবলা খরিদা ও আবাদি জমি রহিয়াছে। সেই জমিতে মোস্তাফিজুর রহমান বর্তমান মৌসুমে ধানের আবাদ করেন। যা কাটার সময়ও হয়ে এসেছে। এমতাবস্থায় গত বৃহস্পতিবার সকালে অভিযুক্তরা ওই জমি নিজেদের দাবী করে জোড় পূর্বক জমি থেকে ধান কেটে নেয়। এতে বাধা দিতে গেলে তারা ধান কাটা কাছি নিয়ে তেরে আসে মোস্তাফিজুর রহমানকে মারার জন্য৷ পরে সেই ভয়ে তিনি সেখান থেকে সরে এসে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

এ বিষয়ে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ওই জমি আমার ছোট ভাইয়ের। আমি সেই জমিতে ধান আবাদ করেছি। তারা ওই জমি নিজেদের দাবী করে জোড় পূর্বক পাকা ধান কেটে নিয়ে যায়। আমি বাধা দিতে গেলে আমাকে মারতে আসে। তাই আমি থানায় অভিযোগ দেই৷ এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের মধ্য দিয়ে ব্যবস্থা নিবেন বলে পুলিশের কাছে আশা করেন তিনি।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত রমজান আলীর ছেলে মতিয়ার রহমানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, ওই জমি আমরা মোস্তাফিজুর রহমানের চাচার কাছে কিনেছি। তখন থেকে আমরাই আবাদ করি। কিন্তু এবার ধানের চারা রোপনের সময় মোস্তাফিজুররা আগেই ধানের চারা রোপন করেন। পরে সেটা আমরা তুলে ফেলে দিয়ে নতুন করে আমরা ধানের চারা রোপন করি। আর সেই পাকা ধান আমরা কাটি। আর ওরা যে অভিযোগ করেছে তা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এই বিভাগের আরো খবর