ব্রেকিং:
২০ ডিসেম্বর থেকে দেওয়া হবে করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ আড়াই বছর পর চালু হলো কুড়িগ্রামের বর্ডার হাট

বুধবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৯   ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু আজ ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত দিবস গোলরক্ষকের বীরত্বে জাপানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টারে ক্রোয়েশি ব্রাজিলের শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে আজ সামনে দক্ষিণ কোরিয়া কেউ আমার লাশ পাইলে ফোন দিয়েন
১৪১

রংপুর সিটি মেয়র মোস্তফার পদত্যাগ

প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০২২  

 

 

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনে অংশ নিতে মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন বর্তমান মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা।

 

বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে তিনি স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বরাবর পদত্যাগপত্র পাঠান। পরে পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রণালয়।

 

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে অংশগ্রহণ করার লক্ষ্যে বর্তমান মেয়র মোস্তাফিজার রহমান বুধবার (২৩ নভেম্বর) বিকেলে পদত্যাগ করেছেন। সরকার কর্তৃক তার পদত্যাগপত্র গৃহীত হয়েছে।

 


এর আগে গত ১৩ নভেম্বর রসিক নির্বাচনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রংপুর মহানগরের সভাপতি মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাকে চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের পক্ষে চূড়ান্ত মনোনয়ন দেন মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। এর দুদিন পর রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফার পক্ষে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন দলের ভাইস চেয়ারম্যান এসএম ইয়াসীর।

 

প্রসঙ্গত, ৩৩টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১২ সালের বছরের ২০ ডিসেম্বর। এতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝণ্টু প্রথম নগরপিতা হিসেবে নির্বাচিত হন। বর্তমানে এই সিটির জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। আর ভোটার রয়েছে চার লাখেরও বেশি। ২০১৭ সালের ২১ ডিসেম্বর দ্বিতীয় নির্বাচনের সময় ভোটার ছিল তিন লাখ ৯৩ হাজার ৯৯৪ জন। এতে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা মেয়র নির্বাচিত হন।

 

এবার তৃতীয় বারের মতো রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন ২৯ নভেম্বর। ১ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র বাছাই এবং ৮ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ তারিখ। প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে ৯ ডিসেম্বর। প্রতীক বরাদ্দের পর প্রার্থীরা ১৭ দিন প্রচার-প্রচারণার সুযোগ পাবেন। ২৭ ডিসেম্বর ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ করা হবে। 

এই বিভাগের আরো খবর