ব্রেকিং:
২০ ডিসেম্বর থেকে দেওয়া হবে করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ আড়াই বছর পর চালু হলো কুড়িগ্রামের বর্ডার হাট

বুধবার   ০৭ ডিসেম্বর ২০২২   অগ্রাহায়ণ ২২ ১৪২৯   ১৩ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
কুড়িগ্রামে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু আজ ৬ ডিসেম্বর লালমনিরহাট হানাদার মুক্ত দিবস গোলরক্ষকের বীরত্বে জাপানকে টাইব্রেকারে হারিয়ে কোয়ার্টারে ক্রোয়েশি ব্রাজিলের শেষ আটে ওঠার লড়াইয়ে আজ সামনে দক্ষিণ কোরিয়া কেউ আমার লাশ পাইলে ফোন দিয়েন
৮৯

বাবা-ছেলের ভ্রমণ, এবার হাঁটবেন তেঁতুলিয়া-টেকনাফ

প্রকাশিত: ১৮ নভেম্বর ২০২২  

গাইবান্ধা পৌর শহরের বাসিন্দা সাদেক আলী সরদার (৬৭) ও তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান (৩৭)। এরই মধ্যে ১৬২৪ কিলোমিটার পথ হেঁটে দেশ ভ্রমণে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন তারা।

 

এরই ধারাবাহিকতায় রোববার (২০ নভেম্বর) পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে কক্সবাজারের টেকনাফ-ছেঁড়াদ্বীপের উদ্দেশ্যে রওনা করবেন বাবা-ছেলে।

‘আলোকিত বাংলার স্বপ্নযাত্রা, আমরা করবো জয়’ এ শ্লোগানে তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ পর্যন্ত প্রায় ১০১৫ কিলোমিটার পথ হাঁটবেন তারা। দীর্ঘ পথের এ যাত্রাটি সফল হলে তাদের হাঁটার অঙ্ক দাঁড়াবে ২৬৩৯ কিলোমিটার।

 

এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর গাইবান্ধা সাদেক চত্বর থেকে স্থানীয় ফুলছড়ি থানা চত্বর পর্যন্ত প্রথম হাঁটা শুরু করেন বাবা-ছেলে। এখানে প্রাথমিকভাবে ২৮ কিলোমিটার হেঁটেছেন তারা। এরপর পর্যায়ক্রমে গাইবান্ধা থেকে বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর-ঘোড়াঘাট-হিলি ও পঞ্চগড়-বাংলান্ধাসহ আরও বেশ কিছু স্থানে হেঁটে যান। ওইসব স্থানগুলোতে তারা দেখেছেন দেশের নানা ইতিহাস-ঐতিহ্য ও দর্শনীয় স্থানসমূহ।

 

সম্প্রতি গাইবান্ধা থেকে পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত টানা ২২৬ কিলোমিটার হেঁটে যাওয়াসহ সিলেট থেকে জাফলং পর্যন্ত ৫০ কিলোমিটার পথ ভ্রমণ করেছেন। এভাবে ৪৯ তম মিশন পর্যন্ত পদযাত্রা করেছেন ১ হাজার ৬২৪ কিলোমিটার। এরপর ৫০ তম মিশনে হাঁটবেন ১ হাজার ১৫ কিলোমিটার মহাসড়ক। এতে প্রায় ২০ দিন সময় লাগবে বলে জানান ভ্রমণকারী বাবা ও ছেলে।


খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গাইবান্ধা শহরের বাসিন্দা সাদেক আলী সরদার চাকরি করেছিলেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে। ২০০৬ সালে তিনি অবসরে যান। সেনাবাহিনীতে চাকরির সুবাদে হেঁটে শরীর চর্চার অভ্যাসটুকু এখনো আছে তার। এ থেকে স্বপ্ন দেখেন বিশাল লম্বা পথ হেঁটে পাড়ি দিবেন দেশান্তরে। সেই জায়গায় যাওয়ার আগেই শুরু করছেন হেঁটে চলার অনুশীলন। সফর সঙ্গী হিসেবে যোগ দিয়েছেন তার ছেলে মোস্তাফিজুর রহমান।

 

ভ্রমণসঙ্গী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বাবার স্বপ্নপূরণে আমিও সঙ্গী হয়েছি তার। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন জায়গা ভ্রমণ করে নানা ধরনের অভিজ্ঞতা অর্জনও হচ্ছে। সেটি দেশ ও দশের স্বার্থে কাজে লাগাবো। ২০ নভেম্বর থেকে তেঁতুলিয়া-টেকনাফের পদযাত্রা যেন আমাদের সফল হয়, সেজন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থী।’

 

হেঁটে দেশ ভ্রমণের অন্যতম ব্যক্তি সাদেক আলী সরদার বলেন, ‘শুধু তেঁতুলিয়া থেকে টেকনাফ নয়, আরও লম্বা পথ পাড়ি দেওয়ার স্বপ্ন আছে। তাই পা-গুলোকে বাহন হিসেবে হেঁটে চলা শুরু করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পর শরীরে নানা রোগে বাসা বেঁধেছিল। এরই মধ্যে কয়েক দফায় দীর্ঘপথ হাঁটায় অনেকটাই সুস্থ আছি। যেন শরীরের শক্তি বেড়েছে কয়েকগুণ। এমন চর্চা সবার দরকার।’

এই বিভাগের আরো খবর