বুধবার   ১৮ মে ২০২২   জ্যৈষ্ঠ ৪ ১৪২৯   ১৬ শাওয়াল ১৪৪৩

সর্বশেষ:
জিআই সনদ পেলো বাগদা চিংড়ি পঞ্চগড়ে ট্রেনের টয়লেটে মিললো বীর মুক্তিযোদ্ধার মরদেহ রংপুরে ভারি, অন্যান্য স্থানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট থেকে আয় ৩০০ কোটি ছাড়িয়েছে: বিএসসিএল উন্নয়ন প্রকল্পের সমালোচকদের একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী
১৯২

দুই প্রেমিকাকে বউ করে ঘরে তুললেন পঞ্চগড়ের রনি 

প্রকাশিত: ২৭ এপ্রিল ২০২২  

পঞ্চগড়ে দুই প্রেমিকাকে একসঙ্গে বিয়ে করে আলোচনায় এসেছেন রোহিনী চন্দ্র বর্মণ রনি (২৫) নামের এক যুবক। বুধবার (২০ এপ্রিল) রাতে আটোয়ারী উপজেলার বলরামপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীদ্বার গ্রামে এ বিয়ে সংঘটিত হয়। 

রোহিনী চন্দ্র বর্মণ ওই এলাকার যামিনী চন্দ্র বর্মনের ছেলে।


স্থানীয়রা জানান, বলরামপুর ইউনিয়নের গাঠিয়াপাড়া এলাকার গিরিশ চন্দ্রের মেয়ে ইতি রানীর (২০) সঙ্গে দীর্ঘদিনধরে রনির প্রেমের সম্পর্ক ছিল। ৪-৫ মাস আগে তারা মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন। তবে পারিবারিক কারণে বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেছিলেন দুজনই। এর মধ্যে নতুন করে একই ইউনিয়নের লক্ষ্মীদ্বার গ্রামের টোনো কিশোর রায়ের মেয়ে মমতা রানীর (১৮) সঙ্গেও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন রনি।

প্রেমের সূত্রে মমতা রানীর সঙ্গে গত ১২ এপ্রিল রাতে দেখা করতে যান রোহিনী। সেখানে দুজনকে একত্রে দেখে ফেলেন মমতার পরিবারের লোকজন। এক পর্যায়ে তাকে আটকে রেখে পরদিন বিয়ে দেন তারা। 

রনির বিয়ের খবর শুনে আগের প্রেমিকা ইতি রানী বুধবার সকালে স্ত্রীর দাবি নিয়ে তার বাড়িতে গিয়ে অবস্থান নেন। রাতে তিন পরিবারের সম্মতিতে নিজ বাড়িতে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই প্রেমিকার সঙ্গে রনির বিয়ে সম্পন্ন করা হয়।

এ ঘটনায় প্রেমিক রোহিনী চন্দ্র বর্মণ রনির সঙ্গে কথা বলতে মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি এবং সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেন। 


তবে রনির বাবা যামিনী চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘দুজনকে একসঙ্গে ঘরে তুলতে কারো কোনো আপত্তি ছিল না। তবে আগের বিয়েগুলোর বিষয়ে যেহেতু জানা ছিল না, তাই নতুন করে আমি আবার তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেছি।’

ইতি রানীর বাবা গিরিশ চন্দ্র বলেন, ‘এ নিয়ে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। রনির বাড়িতেই আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়েতে আমরা তিন পরিবারের লোকজন উপস্থিত ছিলাম। আমাদের কারো কোনো আপত্তি নেই।’

স্থানীয় ইউপি মেম্বার খয়রুল ইসলাম বলেন, ‘বিয়ের কথা শুনেছি। তবে বিয়ের বিষয়ে আমাকে কিছু বলা হয়নি। আমি এর বেশি কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে বলরামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বলেন, প্রথম বিয়ের বিষয়টি আমাকে জানানো হয়েছে। পরে আমার সঙ্গে আর কেউ যোগযোগ করেননি। তবে দুজনকে বিয়ে করে ঘরে তোলার কথা শুনেছি। 

এই বিভাগের আরো খবর