ব্রেকিং:
বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক তেলের সংকট নেই, বলছেন পাম্প মালিকরা

সোমবার   ০৮ আগস্ট ২০২২   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৯   ১০ মুহররম ১৪৪৪

সর্বশেষ:
বাংলাদেশকে ২৮৫৪ কোটি টাকা ঋণ দিলো বিশ্বব্যাংক ট্রেনের উপর প্রভাব,যাত্রীদের উপচেপড়া ভীর রংপুরে বাস সংকটে যাত্রী বেড়েছে ট্রেনে অসহনীয় কাঁচা মরিচ, খুচরায় কেজি ২৪০ তুরস্কে মূল্যস্ফীতি ২৪ বছরে সর্বোচ্চ, লিরার পতন অব্যাহত
৫৪৮

ছেলের অপারেশনের টাকা জোগাতে পারছেনা শিক্ষক বাবা

জেলা প্রতিনিধি লালমনিরহাট:

প্রকাশিত: ৩ আগস্ট ২০২২  

জারিফ মাত্র আড়াই বছর বয়সে তার হৃদরোগে আক্রান্ত  রোগ ধরা পড়ে। এরপর থেকে গত আড়াই বছর ধরে চলছে তার চিকিৎসা। এ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে অনেক টাকা। ছেলের চিকিৎসা খরচ জোগাতে সহায় সম্পদের অনেকটা বিক্রি করে দিয়েছেন এক অসহায় বেসরকারি কলেজের শিক্ষক বাবা। এখনো তার চিকিৎসা চলছে।

 

 শিশু জারিফ আল মাহমুদ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার বড়খাতা ইউনিয়নের দোলাপাড়া গ্রামের বে-সরকারী কলেজ শিক্ষক জহুরুল হকের আড়াই বছর বয়সী ছেলে।

জহুরুল হক স্থানীয় ফকিরপাড়া আদর্শ মহিলা কলেজের ননএমপিও শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

 

জানা গেছে, জহুরুল হকের আড়াই বছরের ছেলেসন্তান জারিফ আল মাহমুদের জন্মের পরপরই হৃদপিণ্ডে ফুটো ধরা পড়ে। এরপর ছেলেকে বাঁচাতে দীর্ঘ আড়াই বছর ধরে আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে আসছেন কলেজ শিক্ষক জহুরুল হক। ছেলের চিকিৎসার জন্য  ধারদেনা ও জায়গা-জমি বিক্রি করে নিঃস্ব হয়। কোন জায়গা জমি বলতেই বাড়ি ভিটে ছাড়া কিছুই নেই তার। 

 

করোনা কালীন সময়ে ঢাকা ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন হাসপাতাল এন্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের চিকিৎসক জারিফ আল মাহমুদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন।

 

এর পর ঢাকা ল্যাবএইড হাসপাতালের চিকিৎসক ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজি(প্যাডিয়াট্রিক) এন্ড ইন্টেনসিভকেয়ার পিএসসিসি,কেএসএ শিশু ইন্টারভেনশনাল কার্ডিয়লজিস্ট সিএমএইচ, বিগ্রেডিয়ার জেনারেল ডাঃ নুরুন নাহার ফাতেমা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখেন ওপেন হার্ট সার্জারি অপারেশনের পাশাপাশি দুইটি হার্ড ফুটা হয়ে গেছে। এ জন্য ভারতে নিয়ে এগিয়ে  ওপেন হার্ট সার্জারি করার পরামর্শ ও রেফার করেন।  

 

ছেলেকে ভারতে নিয়ে গিয়ে ওপেন হার্ট সার্জারি অপারেশন ও দুইটি হার্ট ফুটোর অপারেশন করতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। 

 

বাবা ও পরিবারের পক্ষে এত টাকা ব্যয় করার কোন সমর্থন নেই। যা ছিল তা আড়াই বছরের ছেলের চিকিৎসায় সব শেষ হয়ে গেছে। 

 

শিশুর বাবা শিক্ষক জহুরুল হক বলেন, চিকিৎসার জন্য ভারতে যেতে এবং ওপেন হার্ট সার্জারীর চিকিৎসা খরচ বাবদ প্রায় ১০ লক্ষ টাকা প্রয়োজন। কিন্তু এত টাকা ব্যয় করার মত আমার পরিবারের কোন সমর্থন নেই। তাই ছেলের অপারেশনের জন্য সমাজের বিত্তবান মানুষের সহায়তায় কামনা করছেন শিক্ষক জহুরুল হক।

 

শিশুর মা নার্গিস আক্তার বলেন,দুটি সন্তানের মধ্যে প্রথমটি মেয়ে দ্বিতীয় টি ছেলে। ছেলের জন্মের পর থেকেই বিভিন্ন রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে এতে অনেক টাকা শেষ হয়েছে আমাদের। এখন ছেলের অপারেশনের প্রচুর টাকা প্রয়োজন।এজন্য সবার সাহায্য কামনা করছি। 

 

এ বিষয়ে বড়খাতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু হেনা মোস্তফা জামাল সোহেল বলেন, জরুল হক এর পরিবার অত্যন্ত দরিদ্র। জহুরুল হক ছাত্রজীবন থেকেই নিজের উপার্জনের টাকায় পড়াশোনা করেছেন। সৃষ্টিকর্তা তাকে দুটি সন্তান দিয়ে একজনকে জন্মে পরই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে তার অপারেশনের জন্যে প্রচুর টাকার প্রয়োজন তাই সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ করছি। 

 

শিশুটির অপারেশনের জন্য সাহায্য পাঠাতে পারেন--জহুরুল হক রুপালী ব্যাংক, বড়খাতা শাখা হিসাব নং-৪৪২৪০১০০১০০৪৫ অথবা

ডাচ্ বাংলা এজেন্ট ৭০১৭৩২৭১৩২৮৪২, বিকাশ ০১৭৬৭-৫৪০৩৮৬, নগদ ০১৭২২-৯৫০৪৬৬

এই বিভাগের আরো খবর