ব্রেকিং:
প্রকাশ্যে শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর বুড়িমারী স্থলবন্দর ৯ দিন বন্ধ থাকবে

শুক্রবার   ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২   আশ্বিন ১৫ ১৪২৯   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৪

সর্বশেষ:
গাইবান্ধায় ট্রাকচাপায় স্ত্রী নিহত, স্বামী আহত প্রকাশ্যে শাকিব-বুবলীর সন্তান শেহজাদ খান বীর বিশ্বকাপের প্রাইজমানি ঘোষণা, চ্যাম্পিয়ন দল পাবে ১৬ কোটি টাকা দুর্গাপূজায় ভারতে যাচ্ছে ৩ হাজার মেট্রিক টন ইলিশ রংপুরের মানুষ আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে দেখে আমি খুবই আনন্দিত
১৭৩

চাকুরী না পেয়ে সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেললেন এক যুবক

(জামান মৃধা নীলফামারী প্রতিনিধি):

প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২২  

অনেক ঘোরাঘুরি ও চেষ্টা তদবির করার পরও চাকরি না পেয়ে শিক্ষা জীবনের সব একাডেমিক সার্টিফিকেট ছিঁড়ে ফেলেছেন এক হতাশাগ্রস্থ যুবক।

 

সোমবার (১৯শে সেপ্টেম্বর) দুপুরে ফেসবুক লাইভে নিজের শিক্ষা জীবনে অর্জিত সব একাডেমিক সার্টিফিকেটগুলো ছিঁড়ে ফেলেন বাদশা মিয়া (৩১) নামের ওই যুবক।

বাদশা মিয়া নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বালাপাড়া ইউনিয়নের দক্ষিণ সুন্দর খাতা গ্রামের বাসিন্দা মহুবার রহমানের ছেলে।

 

জানা যায়, অভাবের সংসারে ছয় ভাই–বোনের মধ্যে সবার বড় বাদশা। ২০১৪ইং সালে নীলফামারী সরকারি কলেজ থেকে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তবে অর্থের অভাবে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করতে পারেননি। বাদশা ২০০৭ সালে জিপিএ ৩.৯২ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগে দাখিল, ২০০৯ সালে জিপিএ ৪.০৮ পেয়ে বিজ্ঞান বিভাগে আলিম এবং ২০১৪ সালে পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগে জিপিএ ৪.০০ এর মধ্যে ২.৬৬ জিপিএ নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। 

 

সামাজিক মাধ্যমে সার্টিফিকেট ছেঁড়ার ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে বাদশা বলেন, আসলে আমার ভাগ্যটাই খারাপ! কত মানুষ ভুয়া সার্টিফিকেট নিয়ে করে খাচ্ছে। আর আমি এত সার্টিফিকেট নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরেও একটা সরকারি বা বেসরকারি চাকরি জোঁটাতে পারিনি। সার্টিফিকেট অনুযায়ী চাকরির বয়স শেষ, এখন এগুলো রেখে লাভ কি? বয়স থাকতেই তো চাকরি জোঁটাতে পারিনি।

 

 

হতাশাগ্রস্থ ওই যুবক আরও বলেন, ‘আমার বাবা খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া শিখিয়েছেন। বাড়িতে বৃদ্ধ বাবা–মা ও ছোট ভাই–বোনদের মুখের দিকে তাকাতে পারি না। বর্তমান সমাজে সবচেয়ে অসহায় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষিত ছেলেরা। এরা না পারে চাকরি জোটাতে, আবার অর্থের অভাবে ব্যবসা বাণিজ্যও করতে।

 

এদিকে বাদশার বাবা মহুবার রহমান জানান, বয়সসীমা শেষ হওয়ায় বেশ কিছুদিন থেকে হতাশায় ভুগছিল বাদশা। কাউকে না জানিয়ে ও সার্টিফিকেটগুলো ছিঁড়ে ফেলেছে।

এই বিভাগের আরো খবর