ব্রেকিং:
ঘন কুয়া ও শৈত্য প্রবাহে লালমনিরহাটের জনজীবন স্থবির নেই ঢাকায় আসছে মেসির আর্জেন্টিনা

বুধবার   ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩   মাঘ ২৫ ১৪২৯   ১৬ রজব ১৪৪৪

সর্বশেষ:
পাটগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আসামী পলাতক সরকারি খরচে সাত বছরে হজে গেছেন ১৯১৮ জন বিশ্ব ইজতেমায় লাখো মুসল্লির জুমার নামাজ আদায় শীত আরও বাড়তে পারে বিয়েবাড়িতে চাঁদাবাজি: তৃতীয় লিঙ্গের চারজন কারাগারে
৩১

ঘন কুয়া ও শৈত্য প্রবাহে লালমনিরহাটের জনজীবন স্থবির

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:

প্রকাশিত: ১৮ জানুয়ারি ২০২৩  

 

ঘন কুয়াশার সঙ্গে যুক্ত হওয়া শৈত্য প্রবাহে  লালমনিরহাটের জনজীবন স্থবির হয়ে পড়েছে। অব্যাহত শৈতপ্রবাহের  ছিন্নমূল মানুষ চরম বেকায়দায় পড়েছেন। ভোর থেকেই ঘনকুয়াশায় ঢেকে গেছে পুরো এলাকা। শীতে কাবু হয়ে পড়ছে বৃদ্ধ শিশুরা। 

 

কয়েক দিনের টানা শৈত্য প্রবাহে অনেকটাই বিপাকে তিস্তা ওর ধরলা নদীর চর এলাকার বসবাসরত মানুষরা। 

 

আজ বুধবার (১৮ জানুয়ারী) সকাল ৯টাও সূর্যের দেখা মেলেনি। ঘনকুয়াশায় দিনের বেলাতেও সড়কে যানবাহন চলাচল করছে হেডলাইট জ্বালিয়ে। ভোগান্তিতে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষেরা। হাড়কাঁপানো শীতে ঘর থেকে বের হতে পারছেননা নিম্ন আয়ের মানুষ। অনেকে খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। শীত জনিত রোগে হাসপাতালগুলোতে দিন দিন রোগীর  সংখ্যা বাড়ছে। এই শীতে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। 

 

বুধবার (১৮ জানুয়ারী) সকালে কুড়িগ্রামের রাজারহাট আবহাওয়া অফিসের কর্মরত তুহিন মিয়া  বলেন, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রাম জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 

 

শীতে হাসপাতালগুলোতে ঠান্ডাজনিত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। শীত জনিত রোগে  শিশু ও বৃদ্ধরা আক্রান্ত হচ্ছে। 

 

অনেকেই খড়কুটা জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। তাছাড়া তিস্তা ও ধরলা নদীর চরাঞ্চলের মানুষেরা  ঠান্ডা শুরু হওয়ায় দুর্ভোগে পড়েছে। 

 

সকালে কাজে বের হওয়া মতিউর রহমান বলেন,কয়েক দিনের ঠান্ডায় কাবু হয়ে গেছি। ঠান্ডায় বাধ্য হয়ে কাজে বের হতে হচ্ছে। 

 

 

হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডাঃ আনারুল ইসলাম বলেন, শীত নামার সাথে সাথে শিশু বৃদ্ধ রোগীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এই শীতে নিউমোনিয়ার প্রকোপটা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত সাত দিনে নিউমোনিয়া ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে অনেক শিশু হাসপাতলে ভর্তি হয়েছেন। 

 

লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ উল্লাহ বলেন, শীতার্ত মানুষের জন্য কম্বল বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। এখন পর্যন্ত পাঁচ উপজেলায় প্রায় ৬২ হাজার ২শত ৪০টি কম্বল শীতার্ত মানুষের মাঝর বিতরণ করা হয়েছে। আরও চাহিদা চেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে।

 

এই বিভাগের আরো খবর